surah mulk, juma, nuh, ayatul kursi er fojilot: আমাদের এই সাইট আমরা বিভিন্ন ধরনের সূরার ফযীলত এবং বিভিন্ন ইসলামী কথা লিখে থাকি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে আমাদের সাথেই থাকবেন আশা করি। আর আজ আমরা সুরা মূলক, জুমা, নূহ, আয়াতুল কুরসীর সর্ম্পকে জানবো।

সূরা মূলকের ফযীলত

১। তিরমিযী শরীফের মধ্যে একটি হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি দৈনিক এ সূরা তেলাওয়াত করবে, সে করব আযাব ও কিয়ামতের মুছীবত হতে রক্ষা পাবে এবং জান্নাতবাসী হবে।

২। হযরত নবী করীম (ছঃ) ফরমাইয়াছেন, “আমার উম্মাতের ভিতরে যে ব্যক্তি সূরা মূলক পাঠ করবে আমি তার সাথে বন্ধুত্ব রাখিব।

৩। যে লোক সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং পরকালে ইহা তার জন্য সুপারিশ করবে।

৪। যে লোক সূরা মূলক একচল্লিশ বার পাঠ করবে, আল্লাহর রহমতে সে বিপদ থেকে উদ্ধার পাবে এবং ঋণ থাকলে তা পরিশোধের ব্যবস্থা হবে। 

সূরা জুমাআর ফযীলত

১। এই সূরা দৈনিক নিয়মিতভাবে তেলাওয়াত করিলে শয়তানের কুমন্ত্রণা ও ওয়াছওয়াছা হইতে বাঁচিয়া থাকা যায়। এবং দিন রাত্রি ২৪ ঘন্টার ভিতরে যত প্রকার ছগীরাহ গুনাহ হইয়া থাকে উহা মাফ হইয়া যায়। 

৩। যদি কোন লোক এই সূরা স্বপ্নের মধ্যে পাঠ করিতে দেখে, তবে তাহার ইহকাল ও পরকাল মঙ্গলময় হইবে। 

সূরা নূহের ফযীলত

যদি কোন লোক সূরা নূহ অজীফা বানিয়া নিয়মিত পাঠ করে, তবে তার সর্বপ্রকার নেক উদ্দেশ্য সফল হবে। যদি কেহ এ সূরা স্বপ্নের ভিতরে পড়তে দেখে, তবে সে নেক কার্যের উপদেষ্টা ও খারাপ কার্যের নিবারণকারী হবে এবং শত্রুর উপর জয়ী হবে।

আয়াতুল কুরসীর ফযীলত 

১। আয়াতুল কুরসী কাগজে লিখে দোকানে ঝুলিয়ে রাখলে সে দোকানে বিক্রি বেশী হবে ও সে কারো মুখাপেক্ষী হবে না।

২। হাদীসে বর্ণিত আছে, যে লোক সকালে ও শয়নে পূর্বে আয়াতুল কুরসী পড়বে, আল্লাহ্‌ স্বয়ং তার তত্ত্বাবধানকারী। কাজেই সারাদিনের মধ্যে শয়তান তার নিকট ঘেষতে পারে না। কেননা, আয়াতুল কুরসী পাঠকারীর নিকট শয়তার আগমন করবে না বলে ওয়াদাবদ্ধ রয়েছে। 

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here