You are currently viewing অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ বুক রিভিউ

অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ বুক রিভিউ

কিছু বই আছে যা আপনার মনের ভিতরে রয়ে যায় সারা জীবন আর এর মধ্যে অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে বইটা ঠিক সেই রকম একটা বই, তাই এই “অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে বুক রিভিউ” দিয়ার চেষ্টা করলাম।

অলসতা এমন জিনিস যা থেকে আমরা কেউ মুক্ত নই। প্রতীটি মানুষি এই বৃতের মাঝে আটকে পড়ে আছে। একটা ডাহা সত্যি কথা হল বিশেষ করে মুসলমানরাই এই জালে খুব খারাপভাবে জড়িয়ে পরেছে। 

আর এই কারণেই আমরা এতো হতাশ এবং পিছিয়ে পরা মানুষের কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেছি। আজ অন্যান্য জাতীরা আমাদের শাসন করছে আর তাঁর সবচেয়ে বড় কারণ হল আমাদের অলসতা। 

আপনি কি দেখেছে কোনো অলস মানুষ জীবনে বড় বা সফল হইয়েছে?  না হয় নি এবং হতে পারবেও না। কোনো অলস মানুষ বা জাতী কোনো সময়ই সামনে এগিয়ে যেতে পারে না যতক্ষণ না তারা এইটা নিয়ে কাজ করবে এবং অলসতার ফাঁদ থেকে বেড়িয়ে আসবে। 

আর মুসলিমদের আল্লাহ্‌র সাহায্য এবং ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী এই অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। আর এর জন্য অবশ্যই আপনার এইটা গাইড লাইন দরকার, আপনার গাইড লাইন জন্য ” অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ” বইটা হতে পারে এটা ওষুদের মত।

বইটিতে মোট ১০ উপদেশ এর কথা বলা হয়েছে। সেই উপদেশগুলো সত্যি করে বললে এক একটা স্বনের খনির মত মনে হবে যুদি আপনি মনোযোগ দিয়ে বইটা পড়েন এবং এই অনুযায়ী কাজ করেন। 

ছোট একটা উপদেশ দিয়ে বাকি কথাগুলা শুরু করি, যা প্রতিটি সময়ই আমরা ভুল করে থাকি যা এই বইতে পেয়েছি,

সহিহ বুখারির বর্ণ্না, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন –

নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা হাঁচি দেওয়া পছন্দ করেন এবং হাই তোলা অপছন্দ করেন।

পৃস্টা – ৩৪

এর রহস্য – হাঁচি শারীরিক চঞ্চলতা ও উদ্যমের প্রমাণ। বিপরীতে হাই তোলা শারীরিক ভারতব, স্খুলতা ও অবসাদগ্রস্ত হওয়ার প্রমাণ; হাই তোলার ফলে মানুষ অলসতার দিকে ঝুঁকে পড়ে। এটা মানুষের শয়তানের সাথে যুক্ত করে। আর শয়তান এর সাথে বেঁধে দেয় মানুষের সুতো। কারণ, এজাতীয় শয়তানকে খুশি, তাকে সফলতা এনে দেয়; আর মানুষকে টেনে নিয়ে যায় প্রবৃত্তির দিকে।

সুতরাং হাই তোলা হচ্ছে অলসতার লক্ষণ, ঘুম এবং অমনোযোগিতার ভূমিকা; হাই তোলা শয়তানের সমূহ হাতিয়ারের একটি এবং এটা শয়তানের দুষ্ট বাহিনীর সদ্যস। তবে হাঁচি সব সময় এর বিপরীত। হাঁচি অলসতার ধুলোবালি ঝাঁড়ে এবং আপনার প্রাণশক্তিতে নবচেতনা আনে। এজন্যে আল্লাহ তাআলা হাঁচির সস্পৃক্ততা নিজের সাথে করেছেন।

ফলে কোনোকোনো আলেমকে দেখা যায়, হাই আটকে রাখা সম্ভবপর না – হওয়া সত্বেও লোকালয়ে হাই তোলা অপছন্দ করেন। যদি একান্তই অসম্ভব হয়ে যায়, তাহলে মানুষের সামনে থেকে সরে এসে হাই তোলেন।

বইয়ের নামঃ অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ

লেখকঃ ড খালিদ আবু শাদি 

অনুবাদঃ রিফাত হাসান 

প্রকাশকঃ তাজকিয়া পাবলিকেশন 

মোট পৃস্টাঃ ১৬৩ 

অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ বুক রিভিউ

কিছু কথা যা দাগ কাটে মনেঃ আমাদের দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় ব্যক্তিজীবনে তো বটেই, আমাদের সামাজিক – জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে; দিনকে দিন আমাদের দেশের বিশাল সংখ্যক তরুণ বেকার হয়ে পড়েছে; শিক্ষিত বেকার তরুণের সংখ্যা হুহু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে, কেন? একটি কারণ — অলসতা 

আলসতা আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে; আমাদের ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে; আমাদের সমাজ ধ্বংস করছে; এমনকি এর কারণে পিতামাতা, আত্মীয় – স্বজন, সমাজে কাছে আমাদের তরুণরা অহহেলার শিকার হয়ে একপর্যায়ে আত্মহত্যা পর্যন্ত করছে। 

অথচ একটু নড়চড়, একটু প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কিন্তু আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারি। এই সমাজে, এই রাস্ট্রব্যবস্থাপনার কাণ্ডারিদের দেখিয়ে দিতে পারি, আমাদের তারুণ্য কী ধারণ করে, কী করতে পারে; কিন্তু তাঁর আগে আমাদের দূর করতে হবে একটা জিনিস – অলসতা! 

কীভাবে দূর করবো অলসতা, কীভাবে এই নীরব ঘাতক থেকে রক্ষা করবো নিজেকে, কীভাবে গড়ে তুলবো একটি সুন্দর, শৃঙ্খলাপূর্ণ কর্মজীবন; একটি বহুল আকাঙ্ক্ষিত কর্মচঞ্চল পৃথিবী – সেই কথা ও  পরামর্শগুলাই একজন দরদী দায়ি, একজন অন্তরমুখো মুরুব্বির, একজন মুখ লিস অভিভাবকের ভাষায় উপস্থাপিত হয়েছে এই বিইয়ে – অলসতা বিরুদ্ধে যুদ্ধ – এ।      

এই বইতে মোট ১১টি অধ্যায় আছে আর ১০টা পদক্ষেপ এর কথা বলে হয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি আপনার অলসতার সাথে যুদ্ধের ঘোষণা করতে পারবেন। 

আমি সংক্ষেপে ১ম এবং ৭ম পদক্ষেপ কথা আপনাকে জানবো। আর এই দুটি পদক্ষেপ থেকেই আপনি কিছুটা হলেও ধারণা নিতে পারবেন যে কেন এই বইটি আসলেই একটা ধারুন বই যা আপনার পড়া উচিত বলে আমার মনে হয়েছে। 

লেখকের কথাঃ 

ইমাম রাগিব রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ 

যে ব্যক্তি কর্মহীন ও অলস জীবন যাপন করে সে মনুষ্যত্বের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে যায়; বরং প্রাণীর কাতার থেকেই তাঁর নাম কেটে যায়। সে নিজের নাম লিখিয়ে নেয় মৃতের কাতারে। যেহেতু “অবসর” মানুষের মানবিক বৈশিষ্ট্যসমূহকে নিঃশেষ করতে থাকে, তাই অব্যবহত প্রত্যেক প্রতিভা – বরং প্রতিটি অঙ্গ – তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে অন্ধ চোখ এবং অবশ্য হাতের মতো হয়ে পড়ে। তা কোনো কাজেই আসে না। এভাবে অলসতার কারণে মানবদেহে বিলাসিতায় অভ্যস্ত হয়ে যায়। ঠিক তেমনি গবেষণা ও চিন্তা – ভাবনা না করার ফলে অন্তর হয়ে যায় নির্বোধ। পৌঁছে যায় চতুষ্পদ প্রাণির স্তরে। 

বইয়ের প্রথমে আপনাকে ধারণা দেওয়া হবে অলসতা নিয়ে এবং কিছু কার্যকরী উপদেশ এবং উক্তি। 

অলসতা কি? 

অলসতা হচ্ছে পরকালীন পরিতাপে ক্লান্ত হওয়ার পূর্বেই ইহকালীন অনুতাপে পুড়তে থাকা এবং অত্যাসন্ন ভয়াবহ ক্ষতির অবতরনিকা। তাই ইবনুল জাওজি রাহিমাহুল্লাহ বলেন – 

” নিজ বন্ধু – বান্ধবদের অজানা ইলমের সন্ধানে এবং দারিদ্র্যের কারণে সবচ্ছলতার তাগিদে বের হতে দেখেও যে ব্যক্তি অলসতা করে, তাঁর জীবনের অর্থ কি? অলসটার ছলনাময়ী মরীচিকার স্বাদ অ প্রশান্তির কোনো মানে আছে তাঁর! 

এছাড়া ও আবুল ফাহ্ল আল – বুস্তি রাহিমাহুল্লাহ বলেন — 

তুমি কি কারও কথা শুনেছ, যে অলসতার ঝুলি থেকে মধু আহরণ করেছে? 

অলসতা নিয়ে আরো বলেনঃ 

ইমাম নাবাওয়ি রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ 

অলসতা হচ্ছে, কল্যাণকর কাজের ব্যাপারে মনে উদ্দীপনা জাগ্রত না হওয়া এবং কাজ করার সামর্থ থাকে সত্বেও কাজে আগ্রহ না থাকা। 

আল্লামা তিবি রাহিমাহুল্লাহ বলেন – 

যে বিষয়ে ঢিলেমি করা সাজে না, সে বিষয়ে ঢিলেমি করে বসে থাকিই হলো অলসতা।

সংক্ষেপে বইয়ের কিছু পদক্ষেপ এর ব্যখ্যা দিয়া হল যা থেকে আপনার বইটা পড়বেন কি পড়বেন না তা বুঝতে সহজ হবে।

প্রথম পদক্ষেপ – দোয়া 

মুসমানদের জন্য পৃথিবী সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হল দোয়া। আমরা আল্লাহ্‌র সাহায্য ছাড়া কোনো ভালো কাজে এগিয়ে যেতে পারে না, আর এগিয়ে গেলেও তাঁর মধ্যে আল্লাহ্‌র রহমত থাকবে না। 

তাই প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহ্‌র সাহায্য জন্য দোয়া করতে হবে। 

আর এ নিয়ে হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাজিয়ালাহু আনহু আপনাকে দুআর সময় অন্তরের উপস্থিতি এবং ভয়ের আদেশ দিয়েছেন; যেন তা কবুলের নিকটরর্তী হয় এবং উদ্দেশ্যপুরণে আশা বেড়ে যায়। তিনি বলেছেন – 

তোমরা একসময় এমন যুগে উপনীত হবে যখন একমাত্র 

সেই ব্যক্তিই বাঁচতে পারবে, যে পানিতে ডুবতে থাকা ব্যক্তির 

মতো করে অনরবত দুআ করতে পারবে। 

যারা দোয়া করে না আর যারা করে তাদেরকে দুই শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছেঃ 

১ম শ্রেণীঃ যারা দৃঢ়তাঁর জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দুআ করে। ফেল আল্লাহ্‌ তাকে দান করেন এবং সুপথ দেখান। 

২য় শ্রেণীঃ যারা না চেয়ে ঘুমিয়ে থাকে। ফলে তারা বক্রত এবং অবাধ্যতার মাঝেই ডুবে থাকেল কল্যাণ বঞ্চিত থেকেই নিজেদের মূল্যবান জীবন কাটিয়ে দেয়। 

যারা উদাসীনতার অতল গহবরে আছেন তাদের জন্য নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আমাদের বলেছেন – 

সবচেয়ে অক্ষম তো সেই ব্যক্তি, যে দুআ করতে পারে না” 

এই সম্পর্কে ইবনুল জাউজির নসিহত হলঃ 

সেই সত্ত্বার সামনে নিজেকে পেশ করো, যিনি তাদের ( দুনিয়ার দাতাদের) দান করেন। সবকিছু তাঁর কাছেই চাও। যিনি তোমার মালিক, সেই তিনিই তো তাদের মালিক” 

দুইটি দোয়ার কথা বলা হয়েছে যারা নেহায়িতি অনেক অলস, তারা প্রতি ফরজ নামাজের পরে যেন এই দোয়া দুইটা পড়ে। আর দোয়ার দুইটা আছে বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর – ৪৫, ৪৮ শেষের দিকে। 

সপ্তম পদক্ষেপ – মৃত্যু 

মৃত্যু প্রতি নিয়ত আমাদের পিছনে ঘুরছে, পা ফসকালেই জীবন শেষ। আমরা তো আধুনিকতা ছোঁয়া পেয়ে প্রতি বছর জন্মদিন পালন করি কিন্তু এইটা হর হামেসাই ভুলে যাই একটি বছর এগিয়ে যাওয়া মানে সময় ফুরিয়ে যাওয়া আর মৃত্যুর আরো কাছে চলে যাওয়া। 

মৃত্যু প্রতি মূহুতে আমাদের গাড়ের উপর নিশ্বাস ফেলছে, আপনি এই লিখা দেখতে দেখতে হয়তো পৃথিবীর কোনো প্রান্তে একজন মারা গেছে। সেই মানুষটা আপনি হতে পারতেন, আজ আপনার ডাক পড়েনি বলে ভুলে যাবেন না যে কাল আপনার ডাক পরবে না। তাই প্রতি সময় মৃত্যুকে স্মরণ করুন দেখবেন আপানর অলসতা আপনার থেকে কোটি পালিয়ে বেড়াচ্ছে।  

মৃত্যু নিয়ে বাড়ি অদ্ভুত সুন্দর কবিতা বলেছেন কবিঃ 

মানুষ উদাসীন অথচ মৃত্যু তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে 

তারা মৃত্যুকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না, 

একসময় জীবন ফুরিয়ে আসবে 

তারা নিজেদের সাথীদের জড়ো করার পিছনে ছুটছে 

তারা নিজেদের রেখে আশা কবরের দিকেও তাকাচ্ছে 

তবুও তারা উদাসীনতার স্বপ্নেরই ফিরে আসে 

যেন তারা কিছুই দেখে নি, কিছুই পড়ে নি। 

যখন কেউ বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্বরণ করে তখন ওই ব্যক্তি অলস হয়ে বসে থাকতে পারে না। অলসতা তাঁর থেকে হাজারো মেইল দূরে থাকে। 

আদম সন্তানে জন্য দুটি বাড়ি একটি ওপরে আরেকটি নিচে। 

আর এই নিয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আইজার আপনাকে সর্তক করে বলছেনঃ 

আদম – সন্তানের দুটি বাড়ি। একটি বাড়ি জমিনের উপরে, আরেকটি জমিনের নিচে। সে জমিনের উপরের বাড়ির জন্য কাজ করে যায়। একে কারুকার্যমন্ডিত করে। সাজিয়ে গুছিয়ে রাখে। এর উত্তর – দক্ষিণে নানা রঙের দরজা বানায়। গ্রীষ্ম ও শীতে যা যা উপকারী সবই করে। এরপর চলে যায় জমিনের নীচে থাকা বাড়িতে; কিন্তু সে তা বরবাদ করে রয়েছে। তখন একজন আগন্তুক এসে তাকে বলে, যে বাড়ি তুমি এতভাবে সাজালে এতে তুমি কতদিন থাকবে? 

এই প্রশ্নটা প্রতি নিয়ত আমাদের করা উচিত, আর চিন্তা করা উচিত পরের জীবনের জন্য আমি কি নিয়ে যাচ্ছি ? আর এত সব কিছুর পরেও একজন কি করে অলস থাকতে পারে? 

আর তাই কবি আমাদের কবিতার মাধ্যমে বলে দিচ্ছেঃ 

আমরা সকাল সন্ধ্যা ঘুরে বেড়াই নিজেদের প্রয়োজন পূরণে 

যেন আমরা অফুরন্ত জীবনের উপকরণ খুঁজে বেড়াচ্ছি 

তবে মানুষের সাথে সাথে তাঁর সকল প্রয়োজনগুলোরও 

মরণ হয় 

আর ফেলে যাওয়া প্রয়োজনগুলো এভাবেই পড়ে রয়।

পরিশেষে, আমি বলতে পারি আমার সবগুলো বই পড়ার মধ্যে এই বইটা ছিল সেরা, সেটা কিনা আমাকে পরিবর্তন করতে সাহায্য করতেছে প্রতিদিন। তাই আমার অনুরোদ থাকবে আপনি অবশ্যই এই বইটা কিনা একবার হলেও খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েন এবং যা বলা হয়েছে তা অনুসরণ করার চেষ্টা করুন। দেখবেন খুব অনল সময়ই আপনার জীবন পরিবর্তন হওয়া শুরু করে দিয়েছে। তাঁর আপনি ধীরে ধীরে অয়াপান্র অলসটাও অনেক দূরে চলে গেছে। আশা কর্যই আমার এই অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ বুক রিভিউ আপনাদের ভালো লেগেছে। আর যুদি আপনার ভালো না লেগে থাকে তাহলে বলবেন কোন কোন জায়গায় ভালো লাগে নাই।

Bangla Amader

Bangla Amader talks about all about Bangla Books and around its like Bangla Book review, Summary, Audiobook, Quotes, etc.

Leave a Reply