গল্প শুরুঃ একজন কুরআনের শিক্ষক সর্বদা তার ছাত্রদের এই আইয়াহ দ্বারা বেঁচে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন:

وَعَجِلْتُ إِلَيْكَ رَبِّ لِتَرْضَىٰ

এবং হে আমার পালনকর্তা, আমি তাড়াতাড়ি তোমার কাছে এলাম, যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও সূরা ত্বোয়া- হা , [২০]: ৮৪।

তিনি তাদের বললেন, “এই আয়াইত আমাকে প্ররোচিত করে। আমি যখন আযান শুনি এবং আমি কোনো কাজ করতে থাকি এবং ঠিক ওই সময়ে আমি নিজেকে এই আয়াতের কথা মনে করিয়ে দেই এবং ঠিক ওই সময়ে আমি প্রার্থনা করতে উঠে যাই।”

“যখন আমার অ্যালার্মটি সকাল ২ টায় বেজে যায় এবং আমি ঘুমাতে ফিরে যেতে চাই তখন আমার মনে পড়ে আমার পালনকর্তা কথা এবং আমি তাড়াতাড়ি ছুটে যাই, যাতে আপনি আমার কাজে সন্তুষ্ট হন, এবং তাই আমি উঠে আল্লাহর সামনে দাঁড়ালাম।”

তার স্বামীর সাথে নিম্নলিখিত চুক্তি হইছিল: দীর্ঘ কর্মস্থলের কাজের পরে  বাড়ি ফিরতে আগে ফোন করবেন যাতে তিনি খাবারটি গরম এবং প্রস্তুত করতে পারেন এবং যাতে সে ঘরে এসে খাওয়া ও বিশ্রাম নিতে পারে।

একদিন তিনি তাকে মাহশী (স্টাফড আঙ্গুর পাতা) তৈরি করতে বললেন – খুব সময় নিয়ে নেয় একটি খাবার তৈরি করতে। মাহশী অনেকগুলি মোড়ানো/চিপরানো হয় এবং রান্না করার জন্য একটি পাত্রের মধ্যে রাখা হয়। মোড়ানোর / চিপরানোর  জন্য তার কাছে আরও ৩ টি ছিল; তবে এর মধ্যে আযান দিয়ে দেয়। 

সুতরাং তিনি বাকী ৩ টি আঙুর পাতা ফেলে রেখেছিলেন (যার জন্য তার আরও ৫ মিনিট সময় লাগতো) তিনি নামাজ পড়তে চলে যান।

তার স্বামী বাসায় এসে দেখেন যে খাবার প্রস্তুত নেই এবং সে সিজদায়ে রয়েছে। তিনি লক্ষ্য করেছেন যে সেখানে কেবল তিনটি আঙ্গুর পাতা রয়েছে।

কিছুটা বিরক্ত হয়ে তিনি উচ্চারণ করলেন, “তুমি আগে এগুলি শেষ করতে পারতে এবং রান্না করার জন্য পাত্রটি রেখে দিয়ে তারপর নামাজ পড়তে” কিন্তু সে সাড়া দিচ্ছিল না।

সে তার কাছে গিয়ে লক্ষ্য করল যে সে সিজদায় মারা গেছে!

Bangla islamic quotes | story

সুবহানআল্লাহ! তিনি যদি আমাদের কারও মতো “তার হাতের কাজ শেষ করার জন্য অপেক্ষা করতো তবে তিনি রান্নাঘরে মারা যেতেন! প্রকৃতপক্ষে, আমরা যেভাবে আমাদের জীবনযাপন করবো আমরা  ঠিক ওইভাবেই মারা যাবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here